ভারতের গুরগাঁও-এ একটি আবাসিক ভবনের ২৩ তলা থেকে দুই বছরের কন্যাসন্তানকে কোলে নিয়ে ঝাঁপ দিয়ে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় বাবা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শহরের সেক্টর-১০২-এর একটি আবাসিক সোসাইটিতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাহুল বিজয়ারণ (৩৫) দিল্লির নাংলোই এলাকার বাসিন্দা এবং সোসাইটির ৯ নম্বর টাওয়ারে থাকতেন। তবে তিনি অন্য একটি টাওয়ার-টাওয়ার ৫-এর ২৩ তলা থেকে ঝাঁপ দেন, যা ঘটনাটিকে সন্দেহজনক করে তুলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরিবারের দাবি, COVID-19-এ আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারান এবং অন্য চোখেও সীমিতভাবে দেখতে পেতেন। এতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় তার স্ত্রী নীতু দাহিয়া বাসায় রান্না করছিলেন। এ সময় রাহুল তাদের ছোট মেয়ে ভামিকাকে নিয়ে সোসাইটির পার্কে যান। পরে তিনি মেয়েকে কোলে নিয়ে টাওয়ার ৫-এর ২৩ তলায় উঠে ঝাঁপ দেন।
চিৎকার শুনে বাইরে এসে স্ত্রী দেখেন, স্বামী ও সন্তান রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাই অমিত জানান, ২০১৪ সালে রাহুলের বিয়ে হয় এবং তাদের আরও ১১ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে, যে দেরাদুনের একটি হোস্টেলে পড়ে। তিনি আরও জানান, রাহুল গত দুই মাস ধরে ওই সোসাইটিতে বসবাস করছিলেন এবং দিল্লির কিরাড়ি এলাকায় একটি স্কুল পরিচালনা করতেন।
অমিতের ভাষ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তার ভাইয়ের চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়, যা তাকে গভীর মানসিক কষ্টে ফেলে দেয়।
এ বিষয়ে সাব-ইন্সপেক্টর জগমল সিং জানান, নিহতের পরিবার এখন পর্যন্ত কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে চায়নি। ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোটও পাওয়া যায়নি। তিনি কেন অন্য টাওয়ার থেকে ঝাঁপ দিলেন, সেটিসহ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় বাবা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শহরের সেক্টর-১০২-এর একটি আবাসিক সোসাইটিতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাহুল বিজয়ারণ (৩৫) দিল্লির নাংলোই এলাকার বাসিন্দা এবং সোসাইটির ৯ নম্বর টাওয়ারে থাকতেন। তবে তিনি অন্য একটি টাওয়ার-টাওয়ার ৫-এর ২৩ তলা থেকে ঝাঁপ দেন, যা ঘটনাটিকে সন্দেহজনক করে তুলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরিবারের দাবি, COVID-19-এ আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারান এবং অন্য চোখেও সীমিতভাবে দেখতে পেতেন। এতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় তার স্ত্রী নীতু দাহিয়া বাসায় রান্না করছিলেন। এ সময় রাহুল তাদের ছোট মেয়ে ভামিকাকে নিয়ে সোসাইটির পার্কে যান। পরে তিনি মেয়েকে কোলে নিয়ে টাওয়ার ৫-এর ২৩ তলায় উঠে ঝাঁপ দেন।
চিৎকার শুনে বাইরে এসে স্ত্রী দেখেন, স্বামী ও সন্তান রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাই অমিত জানান, ২০১৪ সালে রাহুলের বিয়ে হয় এবং তাদের আরও ১১ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে, যে দেরাদুনের একটি হোস্টেলে পড়ে। তিনি আরও জানান, রাহুল গত দুই মাস ধরে ওই সোসাইটিতে বসবাস করছিলেন এবং দিল্লির কিরাড়ি এলাকায় একটি স্কুল পরিচালনা করতেন।
অমিতের ভাষ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তার ভাইয়ের চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়, যা তাকে গভীর মানসিক কষ্টে ফেলে দেয়।
এ বিষয়ে সাব-ইন্সপেক্টর জগমল সিং জানান, নিহতের পরিবার এখন পর্যন্ত কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে চায়নি। ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোটও পাওয়া যায়নি। তিনি কেন অন্য টাওয়ার থেকে ঝাঁপ দিলেন, সেটিসহ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
প্রতিনিধি :